বুধবার , নভেম্বর ১৩ ২০১৯
শিরোনাম

নতুন অবরোধ আসছে কাতারের বিরুদ্ধে

কাতারের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বে চার আরব দেশ। বাকি তিন দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। সন্ত্রাসবাদে মদদদান ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগে কাতারের ওপর সম্প্রতি অবরোধ আরোপ করে এসব আরব দেশ। অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে সৌদিসহ চার আরব দেশ ১৩টি শর্ত দিয়ে দুই দফায় সময়সীমা বেঁধে দেয়। কিন্তু তা মানতে দোহা অস্বীকৃতি জানায় এবং জানায় তারা এ বিষয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত আছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতি দিয়ে দোহার বিরুদ্ধে ‘উপযুক্ত’ পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয় ওই দেশগুলো।

যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অব্যাহতভাবে নষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগে কাতারকে আবারও দায়ী করা হয়। আরও বলা হয়, শর্ত মানতে তাদের অনীহা বুঝিয়ে দেয়, দোহা আগের অবস্থানে অটল। বিবৃতিতে কাতারকে নতুন করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হলেও সেগুলো কী ধরনের হবে, তার কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব, মিসর, ইউএই এবং বাহরাইনের অভিযোগ, কাতার মুসলিম ব্রাদারহুডসহ কট্টর ইসলামপন্থী একাধিক সংগঠনকে মদদ দেয়। আল-জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলও এই কট্টরপন্থীদের সহযোগিতা করে। এ ছাড়া আঞ্চলিক শত্রু হিসেবে পরিচিত ইরানের সঙ্গেও দোহার সুসম্পর্ক আছে। কিন্তু কাতার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এএফপি জানায়, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস কাতারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বজায় রাখার কথা পুনর্নিশ্চিত করেছেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার তিনি এটা নিশ্চিত করেন। পেন্টাগন এ কথা জানায়।

পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করতে কুয়েতের আমন্ত্রণে ১০ জুলাই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন কুয়েত সফর করবেন। ম্যাটিস কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদ বিন মোহাম্মাদ আল-আতিয়াহর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে অভিযানের ধরন নিয়ে আলোচনা করেন।